ফিলিপাই শক্তিশালী ভূমিকম্প
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট: আবারও শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হানলো ফিলিপাইনে। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) গভীর রাতে ভূ-কম্পনটি হয় দক্ষিল-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে। রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ছিল এটি। ৪ ডিসিম্বের সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য বার্তাসংস্থা রয়টার্স। এ নিয়ে টানা তিনদিন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের (জিএফজেড) তথ্য দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার ভোরে ফিলিপাইনের মিন্দানাওতে ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৮ কিলোমিটার (২৩.৬১ মাইল)। মার্কিন সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থা বলেছে, ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সুনামির কোনও আশঙ্কা নেই। এর আগে রোববারও শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হানে ফিলিপাইনে। জিএফজেড জানায়, রোববার হওয়া এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তবে রোববারের এই ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহত হয়েছে কি না তা জানা যায়নি। এর আগে গত শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৭ মিনিটের দিকে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৬ বিস্তারিত
তানজানিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস, নিহত ৪৭
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট; পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও ৮৫ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে এই বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। ৪ ডিসেম্বর সোমবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তানজানিয়ার উত্তরাঞ্চলে হানাং পর্বতের ঢালের কাছে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস ঘটেছে। দুর্যোগকবলিতদের উদ্ধার প্রচেষ্টায় স্থানীয় কর্মকর্তারা কাজে লেগে গেছেন ইতোমধ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং উদ্ধার সহায়তায় জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় জেলা প্রশাসক জেনেথ মায়াঞ্জা জানিয়েছেন, শনিবার (৪ ডিসেম্বর) তানজানিয়ার রাজধানী ডোডোমা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার (১৮৬ মাইল) উত্তরে কাটেশ শহরে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়ে ভূমিধস ঘটে। উত্তর তানজানিয়ার মানিয়ারা এলাকার আঞ্চলিক কমিশনার কুইন সেন্ডিগা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪৭ ও আহত ৮৫ জনে পৌঁছেছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ’ মায়াঞ্জা যোগ করেন, বন্যার পানির তোড়ে অনেক এলাকার রাস্তা বিস্তারিত
ফ্লাইওভার থেকে নিচে পড়ে বাসে আগুন, শিশুসহ…
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট: ইতালির ভেনিসে ফ্লাইওভার থেকে পর্যটকবাহী বাস নিচে পড়ে ২ শিশুসহ অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হতাহতদের মধ্যে ইতালি ছাড়াও বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর রাত পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। বুধবার ৪ অক্টোবর এক প্রতিবেদনে গণমাধ্যমটি জানায়, পর্যটকদের ক্যাম্প সাইটে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল বাসটি। পথে ভেনিসের সঙ্গে যুক্ত হওয়া সেতুর কাছে বাসটি ফ্লাইওভারের রেলিঙ ভেঙে নিচে পড়ে যায়। নিচে পড়ার পর পরই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। মেস্ত্রে জেলার রেলপথের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে জানিয়ে ইতালির আনসা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন। আরও ৫ জনের খোঁজ মিলছে না। দুর্ঘটনাটিকে ‘বড় ধরনের ট্র্যাজেডি’ উল্লেখ করে ভেনিসের মেয়র লুইগি ব্রুগনারো বলেছেন, হতাহতদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানাতে পারেনি দমকল বাহিনী। তবে বাসটিতে আগুন লাগার বিষয়ে তারা জানিয়েছে, বাসটি মিথেন গ্যাসচালিত বিস্তারিত
ইতালি উপকূলে নৌকাডুবিতে নিহত ২
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপের পাশে দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন এবং ৩০ এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড রোববার জানায়, তারা দুটি মরদেহের পাশাপাশি ৫৭ জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, ঝোড়ো হাওয়ায় পড়ে নৌকা দুটি। একটি নৌকা থেকে ২৮ জন সাগরে নিখোঁজ রয়েছেন। দ্বিতীয় নৌকাটি থেকে তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার তিউনিসিয়ার স্ফ্যাক্স থেকে রওনা হওয়া নৌকা দুটি লোহা নির্মিত ছিল। একটিতে ৪৮ জন, আরেকটিতে ৪২ জন লোক ছিলেন বলে জানিয়েছে ইতালিয়ান বার্তা সংস্থা এনএসএ। প্রেস অফিসার ফ্ল্যাভিও ডি গিয়াকোমো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আইওএমর সাংস্কৃতিক মধ্যস্থতাকারীরা বিশ্বাস করেন, যে বেঁচে যাওয়াদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্তত ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ইতালিয়ান দ্বীপ সিসিলির কাছে অ্যাগ্রিগেন্টোতে নৌকাডুবি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। Tweet
পাকিস্তান ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে নিহত ১৫
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ পাকিস্তানে একটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। ৬ আগস্ট রোববার নওয়াবশাহে সারহারি রেলস্টেশনের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার শিকার ট্রেনের নাম হাজারা এক্সপ্রেস। ডননিউজ টিভি বলছে, ট্রেনটি করাচি থেকে রাওয়ালপিন্ডি যাচ্ছিল। উদ্ধারকারী দল ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। রেডিও পাকিস্তানের বরাতে এই খবর দিয়েছে দ্য ডন। টিভিতে প্রচার হওয়া একটি ফুটেজে দেখা গেছে, লাইনচ্যুত হওয়া বগিগুলো রেললাইনের পাশে কাত হয়ে পড়ে আছে। বিপুলসংখ্যক লোক আশপাশে ভিড় করছেন। এর আগে শনিবার ভোরবেলা পাদিদান রেলওয়ে স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হলেও বড় বিপর্যয় থেকে বেঁচে যায় আল্লামা ইকবাল এক্সপ্রেস। ওই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা। লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেল মিনিস্টার ফর রেলওয়েজ অ্যান্ড এভিয়েশন খাজা সাদ রফিক বলেন, কর্তৃপক্ষ আজকের ঘটনার বিষয়ে সতর্ক রয়েছে। দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ট্রেনটি স্বাভাবিক বিস্তারিত
ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৩ ফিলিস্তিনি নিহত
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরও ছয়জন। স্থানীয় ময় ২২ মে সোমবার ভোরে পশ্চিম তীরের নাবলুস এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সংঘর্ষের সময় ইসরায়েলি সৈন্যদের গুলিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা মধ্যরাতে ক্যাম্পে হামলা চালায়। পরে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইসরায়েলি সৈন্যদের সাথে সংঘর্ষে গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ১৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তখন থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছেই। Tweet
করোনায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থার সমাপ্তি
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ঘোষণা দিয়েছে, কোভিড-১৯ এখন বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা প্রতিনিধিত্ব করে না। আজ শুক্রবার বিবিসির এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এ ভাইরাসে প্রতি সপ্তাহে মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ চূড়ায় ছিল। সেই সময় প্রতি সপ্তাহে করোনায় প্রাণহানি হয়েছে এক লাখের বেশি। সেখান থেকে মৃত্যু প্রতি সপ্তাহে তিন হাজার ৫০০ জনে নেমেছে। ডব্লিউএইচও-এর প্রধান বলেন, প্রাণঘাতী করোনায় অন্তত ৭০ লাখ লোকের মৃত্যু হয়েছে। তবে টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস এও বলেন, করোনায় মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা দুই কোটির কাছাকাছি যা সরকারি তথ্যের থেকে তিনগুন বেশি। তিনি এসময় সতর্ক করে বলেছেন, করোনা এখনো উল্লেখযোগ্য হুমকি স্বরূপ। টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস বলেন, ‘জরুরি কমিটি ১৫তম বার আমার সঙ্গে দেখা করেছে এবং পরামর্শ দিয়েছে যেন আমি করোনা আর বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা নয় – এ ঘোষণা দেই। আমি তাদের পরামর্শ গ্রহণ করেছি।’ ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা বলে ঘোষণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের বিস্তারিত
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩০৬ জন। আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে সাত জন। বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৭ লাখ ৯১ হাজার ৫১৬ জনে। একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ১৯ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ২০ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৪ জনে। ২১ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে রাশিয়ায়। দেশটিতে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৭৬ জন। মারা গেছেন ৩০ জন। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৭১১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮২৯ জনের। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বিস্তারিত
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ৩৩ হাজার ছাড়লো
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩৩ হাজার ছাড়িয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। জািসংঘ সতর্ক করে জানিয়েছে, দুই দেশের নিহতের চূড়ান্ত সংখ্যা বর্তমান থেকে দ্বিগুণ হতে পারে। আল জাজিরা বলছে, তুরস্ক থেকে গত এক সপ্তাহে ২৯ হাজার ৬০৫ জনের নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে। সিরিয়ায় নিহত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৭৪ জন। গত সোমবার দুই দেশে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৩৩ হাজার ১৭৯ জন নিহত হয়েছে। তুরস্কে নিহতদের কবর দেওয়ার মতো জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই গণকবর দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে এর প্রমাণ মিলেছে। পরিখা খনন করে তার ভেতর মরদেহ রেখে মার্বেলের স্ল্যাব বসিয়ে মরদেহ কবর দেওয়া হচ্ছে বলে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে। তুরস্কে আহতের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ৮০ হাজার বলা হচ্ছিল। সিরিয়ায় আহতের সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। এ অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন তুরস্ক ও সিরিয়ায় বেঁচে বিস্তারিত
তুরস্ক-সিরিয়ায় প্রাণহানি ৩ হাজার ৬০০ ছাড়াল
আন্তর্জাতিক রিপোর্টঃ শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় প্রাণহানি তিন হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে। সোমবার তুরস্কে শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। খবর আল জাজিরা। প্রথমটি আঘাত হানে ভোরের দিকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে দুপুরের দিকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৬। আল জাজিরা জানিয়েছে, তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দুই হাজার ৩১৬ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে সিরিয়ায় প্রাণহানি বেড়ে ১ হাজার ২৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় বহু ভবন ধসে পড়েছে। আশপাশের কয়েকটি দেশেও প্রথম ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বেশ কয়েকটি কম্পন অনুভূত হয়। তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশটিতে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ৩১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ১৩ হাজার ২৯৩ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকারীরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। জরুরি সেবাদান কর্তৃপক্ষ বলছে, এই পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৪০ জনকে। এদিকে সিরিয়া সরকার ও উদ্ধারকারীদের দেওয়া তথ্য বলছে, দেশটিতে প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ২৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত বিস্তারিত